Breaking

Friday, June 12, 2020

নতুন করে সংশয় রেমডিসিভির নিয়ে



রেমডিসিভিরকে চিহ্নিত করা হয়েছে, করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত যেসব ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর হিসেবে। জানা গেছে ওষুধটির প্রয়োগের অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু কবে এটি প্রয়োগ করা হবে তা এখন জানা যাই নি।

যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি ওষুধটির প্রয়োগের অনুমতি দেয়ার পর বাংলাদেশেও অনুমতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু কবে এটি মানুষ কে দিবে বাংলাদেশ সরকার তা এখনো জানা যাই নি।

জানা গেছে যে একাধিক কোম্পানি সরকারের কাছে এটি সরবরাহও করেছে, ওষধুটি প্রয়োগের অনুমতির পর ইতোমধ্যে। কিন্তু মার্কিন বিশেষজ্ঞরা এরই মধ্যে ওষুধটি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে। কিন্তু মার্কিন বিশেষজ্ঞরা বলে নি যে এটির কি ধরণের সমস্যা। কিন্তু এটি সত্যি যে মার্কিন বিশেষজ্ঞরা ওষুধটি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে।




রেমডিসিভির প্রয়োগের পর কার্যকর বলে যে দাবি করা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চিকিৎসকদের সরবরাহ করা হচ্ছে না বলেছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এই ওষধুটি মার্কিন বিশেষজ্ঞরা তৈরি করেছে। তারা এই ওষধুটি তৈরি করেছে তারাই বলছে যে রেমডিসিভির প্রয়োগের পর কার্যকর বলে যে দাবি করা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চিকিৎসকদের সরবরাহ করা হচ্ছে না।




জানা গেছে যে তারা এই বিষয় নিয়ে বিষয়টি নিয়ে একটি বিশেষ খবর প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনে এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, রেমডিসিভির ইবোলা-হেপাটাইটিস প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়েছিল। এখন ওষুধটি করোনায় কার্যকর বলা হলেও তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে মার্কিন জাতীয় অ্যালার্জি এবং সংক্রামক রোগ বিষয়ক ইনস্টিটিউট, শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যায় দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে।





জানা গেছে যে ইনস্টিটিউট পরিচালিত গবেষণায় মার্কিন সরকারের আগের দাবির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের সুস্থ হওয়ার সময় কমিয়ে এনেছে রেমডিসিভির। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো ফলাফল প্রকাশ করা হলেও পূর্ণাঙ্গ ডেটা বিশ্লেষণ অন্য চিকিৎসকদের দেয়া হচ্ছে না। এই একই কথা বলছে মার্কিন বিশেষজ্ঞরা।

মার্কিন বিশেষজ্ঞরা বলছে যে রেমডিসিভির প্রয়োগের পর কার্যকর বলে যে দাবি করা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চিকিৎসকদের সরবরাহ করা হচ্ছে না।

No comments:

Post a Comment