Breaking

Saturday, June 13, 2020

করোনা ভাইরাসএ আক্রান্তে ব্রিটেনকে ছাড়িয়ে চতুর্থ স্থানে ভারত


জানা গেছে যে, ভারত করোনা মহামারির রেকর্ডের দৌড়ে ক্রমেই সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) একদিনে শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজারের বেশি মানুষ। এর এর মধ্য দিয়ে আক্রান্তের দিক দিয়ে ব্রিটেনকে ছাড়িয়ে এখন চতুর্থ অবস্থান করে নিয়েছে ভারত। বিজ্ঞানীরা বলে যে ভারত দেশটিতে অনেক মানুষ এক সাথে বসবাস করে বলে এবং দেশটিনাভাইরা ঘনবসতি বলে এই করোনাভাইরাস তাড়াতাড়ি ছরিয়ে পড়ছে বলে যানাই ভারত বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা আরও বলে যে ভারত দেশের মানুষ নিয়মনীতি মেনে না চললে পরবর্তীতে ভারতে এই করোনাভাইরাস দিন দিন ছড়িয়ে পরবে এবং দেশটির অনেক ক্ষতি হতে পারে।



জানা গেছে যে করোনার কারণে পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ জমে উঠেছে সরকার ও বিরোধীদের রাজনীতিদের। স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে গোটা ভারত প্রায় দীর্ঘ তিন মাসের লকডাউন কাটিয়েদীর্ঘ প্রায় তিন মাসের লকডাউন কাটিয়ে। দেশটিতে যেন করোনাভাইরাস ছড়িয়ে না পরে সে জন্য দেশের সরকার অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কিন্তু দেশের ঘনবসতি এর কারণে দিন দিন করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পরেছে।

দীর্ঘ প্রায় তিন মাসের লকডাউন কাটিয়ে উঠতে না উঠতে করোনাভাইরাস দিন দিন ছড়িয়ে পড়ার কারণে এবারও লকডাউন করেছে ভারত সরকার।

আক্রান্তের দিক দিয়ে এরইমধ্যে ব্রিটেনকে ছাড়িয়ে বিশ্বে চতুর্থ অবস্থানে এখন ভারত, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে। জানা গেছে ভারত দেশে কাল বৃহস্পতিবার দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজারের বেশি। মারা গেছেন অন্তত ৪০০ জন মানুষ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে ভারতে দিন দিন ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে আগামী কয়েক মাস ভারতবাসীকে আরও ভয়াবহ চিত্র দেখতে হবে বলেন তারা।

কিন্তু সাধারণ মানুষ এমন সতর্কবার্তাকে খুব একটা আমলে নিচ্ছেন না। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই সবাই ভিড় জমাচ্ছেন শপিং মল, রেস্তোরাঁ, বাজার, এমনকি গণপরিবহনেও। মানুষ বুঝতে পাড়ছে না যে কি হতে যাচ্ছে।



এদিকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে পশ্চিমবঙ্গেও উদ্বেগজনক হারে। জানা গেছে যে অন্তত ৫শ’ জনের শরীরে মিলেছে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব গত বৃহস্পতিবার রাজ্যটিতে। তবে দুই ক্ষেত্রেই রাজ্য প্রশাসন ব্যর্থ বলে অভিযোগ তৃণমূল বিরোধী শিবিরের। আর বরাবরের মতোই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান সরকার দলীয়দের। ড়-করোনা না আসলে আমরা বুঝতে পারতাম না এ সরকার কতটা অযোগ্য, রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন।

সরকারি কর্মচারী তাদের পার্টির সবাই হতাশ কেনোনা তাদের মানুষ বিশ্বাস করতে পারছে না। ঝড়ের কারণে আমাদের যে আটটি জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেসব জেলায় মানুষের পাশে দাঁড়ান এই কথা শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন।

No comments:

Post a Comment