Breaking

Tuesday, July 7, 2020

জানা গেছে যে রাজশাহীতে ''ডা. জাহিদ'' করোনা আক্রান্ত হয়েও রোগী দেখলেন


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের ডেপুটি চিফ ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ''ডা. এফ এম এ জাহিদ'' করোনা আক্রান্ত চিকিৎসক মেয়ে থাকার পরও ডায়াবেটিক রোগীদের টানা ১১ দিন চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। জানা গেছে এখন তিনি নিজেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

তার সাথে তার স্ত্রীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তার সাথে তার স্ত্রীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ''ডা. জাহিদ''। ডা. জাহিদের মেয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হন, গত ২২ জুন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। জানা যাই যে তারপর থেকেই তিনি বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একই বাড়িতে মেয়ের সঙ্গে থাকেন ডা. জাহিদ, তার স্ত্রী ও ছেলে। ''ডা. জাহিদের সাত তলা ভবন রয়েছে রাজশাহী নগরীর আলুপট্টিতে। সেই ভবনের নিচতলায় অবস্থিত রাজশাহী ডায়াবেটিক কল্যাণ কেন্দ্রে তিনি প্রতি দিন ১০০ থেকে ১৫০ জন ডায়াবেটিক রোগী দেখেছেন তার মেয়ে করোনা আক্রান্ত থাকা সত্ত্বেও ।গত ৩ জুলাই তার মেয়ের দ্বিতীয় বার টেস্ট করানোর সময় তাদের পরিবারের সব সদস্যদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। জানা যাই যে সেদিন ডা. জাহিদ ও তার স্ত্রীর পজিটিভ রিপোর্ট আসে। সেদিনও তিনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। 





ডা. জাহিদকে এ বিষয়ে ফোন দেয়া হলে তিনি বলেন, আমার কোনো উপসর্গ নেই। জানা গেছে তার যে তারপরও করোনা পজিটিভ এসেছে।

আমি ও আমার স্ত্রী থাকি সাত তলায়। আর মেয়ে, ছেলে ও শাশুড়ি থাকে ছয় তলায়। মাঝে মাঝে মেন্টাল বুস্ট-আপ করার চেষ্টা করেছি। তবে মাঝে মাঝে খাবার টেবিলে গেছি। সেখান থেকে হয়তো বা আসতে পারে। তবে ছেলে ও শাশুড়ি করোনা আক্রান্ত হননি। এই সব বলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ''ডা. জাহিদ''।

মাস্ক পরেই রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়েছি রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার বিষয়ে বলেন আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ''ডা. জাহিদ''।

'' ডা. জাহিদ'' বলেন যে তাদের কারো সমস্যা হলে তো জানতে পারতাম। তার মানে এখনো কারো সমস্যা হয়নি।

বাসায় করোনা রোগী থাকলে তাকে অবশ্যই কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. গোপেন্দ্রনাথ আচার্য্য বলেন। এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. গোপেন্দ্রনাথ আচার্য্য বলেন বাসায় করোনা রোগী থাকলে তাকে অবশ্যই কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। চিকিৎসা দেয়ার তো প্রশ্নই আসে না। কোনো পজিটিভ রোগীর কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ে আসলে তাদের অবশ্যই চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টিনে রাখতে হবে, বলেন রাজশাহী বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ''ডা. গোপেন্দ্রনাথ আচার্য্য''।

No comments:

Post a Comment