Breaking

Tuesday, July 14, 2020

চীনের পালানো বিজ্ঞানী চীনের গোপন তথ্য ফাঁস করলেন।


হংকং থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে আসা স্কুল অব পাবলিক হেলথের ভাইরোলজিস্ট ও ইমিউনোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান, দাবি করেছেন যে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সম্পর্কে চীন আগেই জানত।

জানা গেছে যে ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে লি মেং এই তথ্য জানিয়েছেন গত ১০ জুলাই, শুক্রবার। হংকং থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে আসা স্কুল অব পাবলিক হেলথের ভাইরোলজিস্ট ও ইমিউনোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান বলেন যে করোনা নিয়ে বিশ্ববাসীকে আগেই সতর্ক করার দরকার ছিল চীনের।

ইমিউনোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান বলেন চীন সরকার হংকংয়ের লোকজনসহ বিদেশি বিশেষজ্ঞকে চীনে এ নিয়ে গবেষণা করতেও দেয়নি। হেলথের ভাইরোলজিস্ট ও ইমিউনোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান আরও বলেন যে গত ডিসেম্বরের আগেই চীনে সার্স-১ এর মতো ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল। 



লি মেং ইয়ান বলেন যে কিন্তু এই ভাইরাসের চরিত্র ছিল সার্সের থেকে আলাদা এবং আরও সংক্রামক। লি মেং ইয়ান বলেন যে উহান থেকে ভাইরাস সংক্রমণের খবর ছড়িয়ে পড়ার অনেক আগেই করোনা নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন তিনি।

লি মেং ইয়ান বলেন আমি বুঝতে পারি যে এই ভাইরাল স্ট্রেন অনেক বেশি প্রাণঘাতী যখন হংকংয়ের বিশেষ বায়োসেফটি ল্যাবে এই নতুন ভাইরাস নিয়ে তিনি পরীক্ষা করতে শুরু করে। ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রামক ভাইরাল স্ট্রেন সার্স-কভ-২ এর কথা চেপে গিয়েছিল তারা এই কথা চীনের সরকারি কর্মকর্তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানিয়েছিল।

পালিয়ে আসা স্কুল অব পাবলিক হেলথের ভাইরোলজিস্ট ও ইমিউনোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান বলেন চীন জানত নতুন এক ধরনের সংক্রামক ভাইরাস মহামারী হতে শুরু করেছে। তাও চীন সরকার হংকংয়ের লোকজনসহ বিদেশি বিশেষজ্ঞকে চীনে এ নিয়ে গবেষণা করতেও দেয়নি।

গবেষণা বন্ধ করার জন্য লাগাতার হুমকি আসছিল বলেন লি মেং ইয়ান। পালিয়ে আসা স্কুল অব পাবলিক হেলথের ভাইরোলজিস্ট ও ইমিউনোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান বলে আমি বুঝতে পেড়েছিলাম যে এই ভাইরাস যে মহামারীর পর্যায়ে যেতে পারে। তিনি বলেন আমি জানতাম চীনে দাঁড়িয়ে এ কথা বললে আমাকেও বাকিদের মতো খুন করে ফেলা হতো। তাই ২৮ এপ্রিল হংকং থেকে ফ্লাইট ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্র পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। তাই ল্যাবের গোপন ক্যামেরা ও সেন্সরও নিয়ে যান এবং সঙ্গে করে নিজের গবেষণার রিপোর্টও নিয়ে আসেন তিনি।

No comments:

Post a Comment