Breaking

Tuesday, July 28, 2020

অবিশ্বাস্য চমক (রেমিট্যান্সের) অর্থবছরের শুরুতেই


অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, অব্যাহত রয়েছে করোনাভাইরাস মহামারীর চলমান সংকটের মধ্যেও প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা।
জানা গেছে যে জুলাই মাসের আরো দুই দিন বাকি থাকতেই পুরো জুন মাসের চেয়েও বেশি প্রবাসী আয় দেশে আসার রেকর্ড হয়েছে।

জানা গেছে যে প্রবাসীরা চলতি মাসের মাত্র ২৭ দিনেই ২.২৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। জানা গেছে যে রেমিট্যান্স আসেনি বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাসে এর আগে কখনো এত পরিমাণ। জানা যায় যে ১.৮৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার গত জুন মাসের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল। জানা জ্ঞেছে যে এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৩৯ শতাংশ এবং মে মাসের চেয়ে প্রায় ২২ শতাংশ বেশি ছিল। এখন চলতি মাসের মাত্র ২৭ দিনেই সেই রেকর্ড ভাঙল। আমরা জানি যে সময়োপযোগী ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে, প্রবাসী আয়ের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকার জন্য সরকারের।

জানা গেছে যে (২৭.০৭.২০২০ তারিখ পর্যন্ত) পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন রেকর্ড ছুঁয়েছে। আর জানা গেছে যে বাংলাদেশের ইতিহাসে যা এযাবতকালের মধ্যে সর্ব্বোচ্চ।
জানা যায় যে ৩৬.০১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, গত ৩০ জুন ২০২০ তারিখে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল। আপনার Dollar Buy Sell প্রয়োজন হলে ভার্চুয়াল ওয়ালেট আকাউন্ত করুন। জানা যায় যে তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে যেটি ছিল সর্বোচ্চ। আর মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সেটি পৌঁছেছে ৩৭.১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেকর্ডে। জানা যায় যে ৩২.৭১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, বিগত ৩০ জুন ২০১৯ তারিখে বাংলাদেশের বৈদিশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল। তাহলে বুঝা যায় যে গত ১ বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।



জানা যায় যে (রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ) রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সরকারের এ অভূতপূর্ব সাফল্যে মাননীয় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এ অর্জন সেই সকল প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে। জানা যায় যে বাংলাদেশের এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয় যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে এই সার্কুলার জারি করা হয় মঙ্গলবার (২৭ জুলাই)। সার্কুলারে বলা হয়, আসন্ন ঈদুল আজহার আগে তৈরি পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রপ্তানি বিল বিক্রয় এবং উক্ত শিল্পে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারি ও কর্মকর্তাদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতাদি পরিশোধের সুবিধার্থে ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকাও চট্টগ্রামে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকের তৈরি পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট শাখাসমূহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণপূর্বক, শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনাদেরকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।

No comments:

Post a Comment