Breaking

Saturday, July 18, 2020

আরও এগিয়ে করোনা গবেষণায় বাংলাদেশ


জানা গেছে যে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা সম্পন্ন করেছেন এসএআরএস-কোভ-২ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং। জানা গেছে যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী "ইয়াফেস ওসমান" দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসরকারি অনলাইন নিউজ পোর্টালে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন ।

জানা গেছে যে এ পর্যন্ত ২২২টির মধ্যে ১৭৩টির নমুনা সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা কাউন্সিল-বিসিএসআইআর। বাকিগুলো বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা করেছে বলে জানান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াসেফ ওসমান মনে করেছেন যে নির্দিষ্ট রোগের জন্য কার্যকর ভ্যাকসিন বা ওষুধ উদ্ভাবনের জন্য জিনোম সিকোয়েন্সিংকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন বয়সীদের কাছ থেকে ১৩৩টি নমুনা সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ"বিসিএসআইআর এর তথ্য অনুসারে"।
জানা গেছে যে ১৩৩টি নমুনা সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শুধু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন বয়সীদের কাছ থেকে।

জানা যাচ্ছে যে অক্সফোর্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা করোনাভাইরাস ঊনিশের ভ্যাকসিন আবিষ্কারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে করোনার প্রতিষেধক উদ্ভাবনে জিনোম সিকোয়েন্সির বিষয়টি তারা বিবেচনা করবে বলেও জানা গেছে।

জানা যাচ্ছে যে বাংলাদেশের করোনাভাইরাস ৯৯.৯৯ শতাংশই ইউরোপের ভাইরাসের মতো বলে বিশ্লেষণে জানা গেছে। জানা গেচজে যে, তিনজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়, গেল ৩০ মে এবং আর এর মাধ্যমেই অনেকটা স্পষ্ট হওয়া যায় কোভিড উনিশ ইউরোপ থেকেই বাংলাদেশে আসেছে। বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন বয়সী মানুষের কাছ থেকে ১৩৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল তা বিসিএসআইআর এর তথ্যমতে। এ পর্যন্ত ৬৬ হাজার ৮’শ ৭৫টি জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন হয়েছে, গেল ১৭ জুলাই পর্যন্ত আন্তর্জাতিক জিন ব্যাংকের রিপোট অনুসারে। জানা গেছে যে এর মধ্যে বাংলাদেশের ২২২ এবং প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবদান ১৫৭৮।

(SARS-CoV-2 এর জেনেটিক উপাদান হচ্ছে RNA বা Ribonucleic Acid) জানা গেছে যে যার মধ্যে ভাইরাসের প্রয়োজনীয় সব জিন থাকে। 


মানুষের শরীরে প্রবেশের পর (SARS-CoV-2 এর জেনেটিক উপাদান হচ্ছে RNA বা Ribonucleic Acid) এই জিনগুলো থেকে প্রোটিন তৈরি হয়। ভাইরাস দ্রুত বংশবিস্তার করে বলে তাই এর জিনোম সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হতে থাকে। জানা জাচ্ছে যে জিনোম সিকোয়েন্স থেকে ভাইরাসের আদি উৎস সম্পর্কে জানা যায়। এক্ষেত্রে ভাইরাস যদি দ্রুত জেনেটিক উপাদান পরিবর্তন করে তাহলে ঔষধ কিংবা টিকা কার্যকর নাও হতে পারে বলে অনেকেই ধারণা করে। তাই কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে স্থায়ী এবং কার্যকর ভ্যাকসিন তৈরি এখন মূল চ্যালেঞ্জ।

No comments:

Post a Comment