Breaking

Monday, July 20, 2020

জানা গেছে যে (শাহবুদ্দিন মেডিকেল) গণস্বাস্থ্যের অনুমোদনহীন কিট ব্যবহার করতো


রিজেন্ট হাসপাতালের পর এবার, রাজধানীর শাহবুদ্দিন মেডিকেলে এবার কোভিড-১৯ পরীক্ষায় জালিয়াতির প্রমাণ মিললো।
জানা গেছে যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযানে নামে, অনুমতি না নিয়েই কোভিড পরীক্ষাসহ নানা অভিযোগের পর।
জানা যাই যে প্রতিষ্ঠানটির সহকারী পরিচালকসহ ২ জনকে আটক করা হয়।
সিলগালা করা হবে মেডিকেল হাসপাতালটি, দীর্ঘ অভিযান শেষে রেবের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে জানানো হয়। একইসঙ্গে জড়িত সবার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানানো হয়

জানা গেছে যে রেবের(rab) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে অভিযানে নামে (RAB) একটি দল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের কাছে থেকে জানা যাই যে প্রাথমিকভাবে করোনা পরীক্ষার কোনো কিট বা পিসিআর মেশিন দেখাতে পারেনি হাসপাতালটি। হাসপাতালের সহকারী পরিচালকসহ অন্তত ২ জনকে আটক করা হয় অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগে এ কথা বলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন এসময় সকল অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে পরীক্ষা করা হয়েছিলো যারা প্লাজমা দেবে তাদের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তা গণস্বাস্থ্য এর কিট দিয়ে করা হয়েছিলো। তারা আমাদের ট্রায়ালের জন্য বলেছিলো তা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রায় এক বছর আগেই লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন অভিযোগ রয়েছে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে যে অন্য হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা করে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নামে চলিয়ে দেওয়ার। আরও অভিযোগ রয়েছে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে যে ব্যবহৃত গ্লাভস পুনরায় ব্যবহার করার।
এতদিন কোনো কিট বা পিসিআর মেশিন না থাকলেও কিভাবে কোভিড পরীক্ষা করে আসছিল হাসপাতালটি, প্রশ্ন ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানিয়েছেন যে তারা নিয়ম ছাড়াই করোনা টেস্ট করছিল। তারা করোনা নেগেটিভ রোগীকে পজিটিভ বানিয়ে মোটা অংকের টাকা নিতো।


জানা গেছে যে সিলেটে করোনা বিষয় নিয়ে জালিয়াতি সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায় বলেন, ডা. আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তিনি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। জানা গেছে যে পরে তাকে ৪ মাসের জেল ১ লাখ টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি অনাদায়ে আরও ১ মাসের জেলা দেয়া হয়। ডা. আলম বিদেশ যাত্রীসহ কয়েকজনকে টাকার বিনিময়ে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়েছেন বলে র‍্যাবের কাছে স্বীকার করেছেন এ কথাআ বলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামিউল আলম জানান। জানা জাই যে গত ১৪ জুলাই ডা. আলম করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরও তিনি নিয়মিত তার চেম্বারে রোগী দেখতেন।

No comments:

Post a Comment